রংপুর জেলাধীন মিঠাপুকুর উপজেলা সদর হইতে ২২ কি:মি: যমুনাশ্বরী পশ্চিম পার্শ্বে ১১ নং বড়বালা ইউনিয়েনের প্রাণকেন্দ্র ছড়ানহাট গ্রোথ সেন্টারের পাশে প্রাকৃতিক সবুজ বৃক্ষ ছায়ায়, কোলাহল ও রাজনীতি মুক্ত মনেরম পরিবেশে অবস্থিত। স্থানীয় জনগনের পক্ষে অন্যতম দুই প্রতিষ্ঠাতা ১. জনাব মো. তোফাজ্জল হোসেন, ২. জনাব মো. মোকতারুর রহমান ও দাতা ১. বীরমুক্তিযোদ্ধা জনাব মো. আক্কাছ আলী মাষ্টার, ২. জনাব মো. আ. হাকিম মিয়া, ৩. জনাব মো. ছামছুজ্জামান সরকার (নয়ামিয়া), ৪. জনাব মো. আজিজার রহমান সরকার, ৫. জনাব মো. ফজলার রহমান, ৬. জনাব মো. আ. মান্নান মাষ্টার, ৭. জনাব মো. শাহ্‌আলম, ৮. জনাব ফৌজিয়া খানম এবং কর্মরত কয়েকজন শিক্ষক, শিক্ষানুরাগী, দানশীল ও বিদ্যোৎসাহী মানুষের মহতী উদ্যোগে সুলভে উচ্চ শিক্ষার পথ সুগম ও ঝরেপড়া রোধের লক্ষে বিভিন্ন পেশার সাধারণ জনগণের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও সার্বিক সহযেগীতায় বিগত ০৫-০৫-১৯৯৫ খ্রিষ্টাব্দে ছড়ান মহাবিদ্যালয় নামে স্থাপিত হইয়া ১৯৯৬-৯৭ শিক্ষাবর্ষে তৎকালীন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড রাজশাহী হইতে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে প্রথমেই মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় (বাণিজ্য) একাডেমিক স্বীকৃতি লাভ করিয়া ১ এপ্রিল ১৯৯৯ খ্রি. শিক্ষক-কর্মচারীগণের বেতন ভাতাদির সরকারী অংশ (এম.পি.ও) ভূক্তি হয় এবং ২০১৩ খ্রি. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর কর্তৃক ছড়ান ডিগ্রী কলেজ নামে স্নাতক (পাস) বিএসএস কোর্স প্রথম অধিভূক্তি লাভ করে এবং ২০১৪ সালে বিএ কোর্স চালু হইয়া সরকারী বিধি অনুযায়ী বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করিয়া সুদক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী ও গভর্নিং বডি দ্বারা সুনামের সহিত সুচারুরুপে পরিচালিত হইয়া আসিতেছে।